ডিজিটাল মার্কেটিং’র কত প্রকার উপায়

Share the Post
ডিজিটাল মার্কেটিং

 

ডিজিটাল মার্কেটিং বর্তমান বাণিজ্য ও মার্কেটিং জগতের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।  মার্কেটিং ছাড়া যেমন ব্যবসা কল্পনা করা যায় না, তেমনি ডিজিটাল মার্কেটিং ছাড়া মার্কেট শেয়ার কল্পনা করা যায় না। 

তাই ডিজিটাল মার্কেটিং কেন তা বোঝার আগে বুঝতে হবে ডিজিটাল মার্কেটিং কি। 

সোজা ভাবে জানতে চাইলে বলতে পারি, ইন্টারনেটের সকল মাধ্যমের যে কোন মাধ্যমে পণ্য বা তথ্য বা সার্ভিসের প্রচারণা চালানোই ডিজিটাল মার্কেটিং বা অনলাইন মার্কেটিং। 

আরো সোজা ভাবে বললে,  অফলাইনের বাইরে যত প্রচার সবই ডিজিটাল মার্কেটিং এর আওতাভুক্ত ।  

কেন ডিজিটাল মার্কেটিং? 

বর্তমান পুঁজিবাদ ও বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতা প্রতিনিয়ত । মার্কেটিং ও কোম্পানির সংশ্লিষ্টরা সবসময় চেষ্টা করেন কিভাবে দ্রুত তাদের কাঙ্ক্ষিত গ্রাহকের কাছে অফা,  প্রোডাক্ট বা সার্ভিস পৌঁছানো যায়। সেটা সবচাইতে দ্রুত সম্ভব করে তোলে ডিজিটাল মার্কেটিং মাধ্যম।

ব্যবসা করতে চাইলে অনলাইন মার্কেটিং এর তাই জুড়ি নেই। কোটি কোটি মানুষ দিনের বেশিরভাগ অবসর সময় অনলাইনে ব্যয় করে থাকেন। 

এমনকি টিভি দেখতে দেখতে ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তো কেন তার সুযোগ নেবো না ছোট ও বড় বাজারজাতকারীরা?

যেখানে টেলিভিশন, পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের ব্যয় শতগুণ বেশি।  অগণিত টিভি চ্যানেল। একটা ছোট কোম্পানি কোথায় তাদের মার্কেটিং করবে তার কাঙ্খিত ভোক্তা পেতে?  

অবশ্যই ইন্টারনেট। কারন গতকাল পর্যন্ত শুধু ফেসবুকেই ব্যবহারকারীর সংখ্যা 3 বিলিয়ন।  তো মার্কেটিং করতে কেন ফেসবুকে যাব না? 

গুগল ব্যবহারকারির সংখ্যা বিলিয়ন ছাড়িয়ে।  কেন সেখানে মার্কেটিং করবো না? ইউটিউব এর কথা নাইবা বললাম।   

২০৪০ সালের মধ্যে যেই পৃথিবী নামক গ্রহের অনলাইন ইন্দ্রজালে লেনদেন করা মানুষের সংখ্যা দাড়াবে ৯৫%।  

সবচাইতে মজার বিষয় হলো, অনলাইনের এইসব মাধ্যমে যেমন অর্থ পরিশোধ করে প্রচারণা বা মার্কেটিং করা যায়, তেমনি বিনামূল্যও মার্কেটিং করা যায়।

এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও ডিরেকটরি রয়েছে, যেখানে ফ্রিতেই পণ্য বা সার্ভিস এর প্রচারের ব্যবস্থা রয়েছে। 

যেমন bikroy. fiverr. amazon আলীএক্সপ্রেস, আলিবাবা ইত্যাদি।  

আবার একই স্থানে ফ্রিতেও মার্কেটিং করা যায়। তো কেন অনলাইন মার্কেটিং এর এই সুযোগগুলো গ্রহণ করব না যেখানে অন্যান্য মার্কেটিং এর চাইতে তুলনামূলক খরচ কম?  

ডিজিটাল মার্কেটিং কতপ্রকার ও কি কি?

অনলাইন মার্কেটিং দুই প্রকারে সম্পন্ন হয়।

১. পেইড মার্কেটিং (Paid Digital Marketing)

২. অর্গানিক মার্কেটিং ( Organic Digital Marketing)

সহজভাবে বললে, অনলাইনে যত রকম এডভার্টাইজিং, সবই পেইড মার্কেটিংএর আওতাভুক্ত ।  

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, সার্চ ইঞ্জিন, ভিডিও শেয়ারিং সাইট,  ব্লগ ও বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটে সরাসরি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পেইড মার্কেটিং করা হয়ে থাকে।  তবে একেকটি ক্যাম্পেইন একেকভাবে একেক জায়গায় দৃশ্যমান করা যায়।  

পেইড মার্কেটিং এর মাধ্যমে দ্রুত টারগেট কাস্টমারের কাছে যাওয়া যায়।  

এই সমস্ত মাধ্যমেই আবার অর্গানিক ভাবে মার্কেটিং করা যায়। প্রমোশনের জন্য কোনো প্রকার অর্থ দিতে হয়না।  ব্লগ বা ওয়েবসাইটের মালিক নিজেই যদি সেই মার্কেটিং করে তাহলে তো বিনামূল্যেই হয়ে গেল।  

আবার ইউটিউবের মতো ওয়েবসাইটে ভিডিও শেয়ারিংএর মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং করার বিষয়টি দিন দিন আরও  জনপ্রিয় হচ্ছে।            

ডিজিটাল মার্কেটিং কতপ্রকার ও কি কি?

অনলাইন মার্কেটিং দুই প্রকারে সম্পন্ন হয়।

১. পেইড মার্কেটিং (Paid Digital Marketing)

২. অর্গানিক মার্কেটিং ( Organic Digital Marketing)

সহজভাবে বললে, অনলাইনে যত রকম এডভার্টাইজিং, সবই পেইড মার্কেটিংএর আওতাভুক্ত ।  

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, সার্চ ইঞ্জিন, ভিডিও শেয়ারিং সাইট,  ব্লগ ও বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটে সরাসরি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পেইড মার্কেটিং করা হয়ে থাকে।  তবে একেকটি ক্যাম্পেইন একেকভাবে একেক জায়গায় দৃশ্যমান করা যায়।  

পেইড মার্কেটিং এর মাধ্যমে দ্রুত টারগেট কাস্টমারের কাছে যাওয়া যায়।  

এই সমস্ত মাধ্যমেই আবার অর্গানিক ভাবে মার্কেটিং করা যায়। প্রমোশনের জন্য কোনো প্রকার অর্থ দিতে হয়না।  ব্লগ বা ওয়েবসাইটের মালিক নিজেই যদি সেই মার্কেটিং করে তাহলে তো বিনামূল্যেই হয়ে গেল।  

SEO বা Search Engine Optimization অরগানিক মার্কেটিং এর সবচেয়ে মজার জায়গা। যেখানে নিজের ওয়েবসাইটকে গুগল সার্চ রেজাল্ট পেজের প্রথম দিকে নিয়ে আসার চ্যালেঞ্জ নিতে হয়। 

দৈনন্দিন জীবনে গুগলে সার্চকারীর সংখ্যা ও এর প্রয়োজনীয়তা বেড়েই চলেছে এবং তা বিস্ময়করভাবে।

আবার ইউটিউবের মতো ওয়েবসাইটে ভিডিও শেয়ারিংএর মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং করার বিষয়টি দিন দিন আরও  জনপ্রিয় হচ্ছে।            

অর্থাৎ ফেসবুক, ইউটিউব, গুগলে, ক্লাসিফায়েড সাইটে যেমন বিনামূল্যে মার্কেটিং করার ব্যবস্থা আছে, আবার অর্থ দিয়েও তা করার ব্যবস্থা আছে।    

তো পে, নন-পে সব মিলে ডিজিটাল মার্কেটিং বেশ কিছু টার্মে বিভক্ত ।  প্রধানগুলো যেমনঃ

ডিজিটাল মার্কেটিং এর যত প্রকার উপায় সমূহ

তো পে, নন-পে সব মিলে ডিজিটাল মার্কেটিং বেশ কিছু টার্মে বিভক্ত ।  নীচে তার কয়েকটি আলোচনা করা হলো। 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)

এস.ই.ও-এর ব্যপ্তি বিশাল।  মূলত সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে প্রথমে থাকার জন্য নিজের ওয়েবসাইট বা ব্লগ বা পোস্টকে অপ্টিমাইজ করার সমস্ত প্রক্রিয়াকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলে ।  

কোন একটি টপিক বা প্রোডাক্টের নাম লিখে যখন গুগলে সার্চ করি, তখন নীচের ছবিটির মতো করে দশটি লিংক শো করে।  এইভাবে টোটাল দশ পেজে ১০*১০=১০০ টি লিংক শো করে। কিন্তু বেস্ট SEO Expert দের লক্ষ্য থাকে প্রথম পেজে থাকা। প্রথম পেজের এক দুই নম্বরে থাকা মানে ওই কিওয়ার্ডে সুপারহিট হওয়া।  

এর জন্য প্রথমে কিওয়ার্ড গবেষণা, প্রতিযোগি এনালাইসিস, সার্চ ভলিউম ইত্যাদি বিবেচনা করেই এগোতে হয়। ব্লগিং করে ব্লগকে এসইও করে আয় করা যায়। অনলাইন শপ বা ই-কমার্স তৈরি করে তাকে সার্চ ইঞ্জিন পেজে র‍্যাংক করার মাধ্যমে প্রচুর আয় করা হচ্ছে।  এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও লোকাল সার্ভিসের জন্য বিজনেস সাইট বানিয়ে ব্যবসার প্রচার ব্যাপকভাবে করা হচ্ছে । 

স্থানের ভিত্তিতে এস ই ও দুই রকমঃ

  • লোকাল এসইও
  • আন্তর্জাতিক এসইও 

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) ও Pay Per Click (PPC)

SEM ও SEM এর মধ্যে পার্থক্য হলো, SEM এ SEO র সাথে সাথে পেইড সার্চ মার্কেটিংও জড়িত। SEO এর মতই SEMও কিওয়ার্ড নির্ভর, এখানেও সার্চ ভলিউম ও কম্পিটিটর এনালাইসিস করতে হয়। না হলে র‍্যাংক করবে, কিন্তু বাজেটের তুলনায় ফলাফল ভাল আসবেনা।

গুগল, ইয়াহু, বিং সহ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ডে অর্থের বিনিময়ে র‍্যাংক করানোকেই সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) বা Paid Per Click (PPC) বলতে পারি। অর্থাৎ ভিজিটরের প্রতিটা ক্লিকেই একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বাজেট থেকে কেটে রাখবে গুগল । অনেকেই সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)  ও সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (SEO) এর মধ্যে তফাৎটা গুলিয়ে ফেলেন। বোঝার সুবিধায় এখানে SEO ও SEM এর আলাদা আলোচনা তুলে ধরা হলো। 

SEO ও  SEM এর মধ্যে পার্থক্য আমরা সহজেই বুঝতে পারব।  একটা ফ্রী অর্গানিক মার্কেটিং, আরেকটা পেইড অ্যাড মার্কেটিং।  ছবিতে  পেইড মার্কেটিং বা পিপিসি এর উদাহরণ দেয়া গেল।   

ডিজিটাল মার্কেটিং কি

SEM হলো Search Engine Optimization এর বিকল্প ও দ্রুত মাধ্যম।  সারাবিশ্ব থেকেই ব্র‍্যান্ডিং, সার্ভিস ও পণ্য বিক্রির জন্য প্রতিবছর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার এখানে ব্যয় হয়। উইকি মতে,  শুধুমাত্র ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ বিলিয়নেরও বেশি ডলার ব্যয় হয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অ্যাড মার্কেটিং (SEM) এর পেছনে।  

সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং  (SMM)

ইন্টারনেট মার্কেটিং এর দুনিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আরেক জনপ্রিয় মাধ্যম।  ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, লিংকডইন, ইউটিউব, পিন্টারেস্ট, এমনকি হালের টিকটকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোর নানা ধরনের ফিচারের ব্যবহার ইন্টারনেট মার্কেটিং জগতে বিপ্লব এনে দিয়েছে। শুধুমাত্র ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়তে বাড়তে এখন প্রায়  ১৭০ কোটি। এবং অধিকাংশই স্বক্রিয় ও নিয়মিত। নিঃসন্দেহে মার্কেটিং এর জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সবচাইতে উর্বর স্থান।  কেননা এখানে ছোট বড় ও মাঝারি সকল ধরনের ব্যবসার জন্য মার্কেটিং করা যায়।

এখানেও পেইড ও অর্গানিক দুই পদ্ধতিতেই মার্কেটিং করা যায়। নিউজফিডে মাঝে মধ্যেই আমরা যেসব Sponsored পোস্টগুলো দেখি,  ফেসবুককে অর্থ পরিশোধ করেই তা দেখানো হচ্ছে। গ্রুপ পেজ, ব্যক্তিগত প্রোফাইল এবং বিজনেস পেজ থেকেও বিনামূল্যে মার্কেটিং করা যায়। নির্ভর করে আপনার মার্কেটিং দক্ষতার ওপর। সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং নিয়ে আমরা অন্য কোনো টিউটোরিয়ালে বিস্তারিত কথা হবে।     

কন্টেন্ট মার্কেটিং 

বিভিন্ন ধরনের ব্লগ, ভিডিও, আর্টিকেল, রিভিউ, ইত্যাদি কন্টেন্টের মাধ্যমে কোনোকিছুর প্রমোশন করাই কন্টেন্ট মার্কেটিং৷ তবে কন্টেন্ট মার্কেটিং অন্যান্য মার্কেটিং’র সাথে রিলেটেড। আসলে ইন্টারনেট  মার্কেটিংএর জগতে একটা বিভাগ আরেকটা বিভাগের সাথে সম্পর্কিত৷ 

ইমেইল মার্কেটিং

ইমেইলের মাধ্যমে মার্কেটিংও সমাদৃত।  ইমেইল সংগ্রহ ক’রে একসাথে অনেক মানুষ বা প্রতিষ্ঠানকে ইমেইল করে মার্কেটিং করা যায়৷ ইমেইল সংগ্রহ করার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। টাকা দিয়েও কেনা যায় ইমেইল লিস্ট।  

ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং

দিন দিন ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংও জনপ্রিয় হচ্ছে।  ডিজিটাল মাধ্যমে জনপ্রিয় ব্যক্তিদেরকেই এখানে ইনফ্লুয়েন্সার বলা হয়।  অনলাইন সেলিব্রেটি ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব দ্বারা মার্কেটিং করাকে ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং বোঝায় । 

ক্লাসিফায়েড অ্যাড সাইট

ক্লাসিফায়েড অ্যাড সাইটের নাম শোনেননি এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। নতুন, পুরাতন পণ্য ক্রয় বিক্রয়ের বিশাল বাজারই ক্লাসিফায়েড ডিরেক্টরি । বিশ্বের বিখ্যাত ও বৃহত্তম ক্লাসিফায়েড ডিরেক্টরি সাইট Craiglist. বাংলাদেশে যেমন bikroy ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। চেয়ার থেকে শুরু করে জব পর্যন্ত পোস্ট হ

য় এখানে। আমি নিজেও কিনেছি বেচেছি।    

মাল্টিভেন্ডর ই-কমার্স  

আলিবাবা, আমাজন, আজকের ডিল এসবই মাল্টিভেন্ডর ই-কমার্স এর উদাহরন। হাজার হাজার ব্যবসায়ী এখানে একাউন্ট খুলে সেল করছে দেদারছে। বিক্রেতা, মার্কেটারদের আয়ের অন্যতম উৎস এখন এইসব মাল্টিভেন্ডর ই-কমার্স সাইটগুলো।  

এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ই-কমার্স মডেল সম্পর্কে জানতে এই পেজটি ভিজিট করুন । বিস্তারিত আলাপ করা হয়েছে  ই-কমার্স বিজনেস মডেল বিষয়ে।

এফিলিয়েট  মার্কেটিং

অন্যের পণ্য প্রমোট করে বিক্রির জন্য রেফার করে প্রতিটি বিক্রির ওপরেই কমিশন লাভ করাই এফিলিয়েট মার্কেটিং।  ব্যাপারটা ক্লিয়ার করি।  এমাজন ই-কমার্স এ হাজার হাজার পণ্য বিক্রির জন্য সাজানো আছে। 

সেখানে সরাসরি বিক্রিও হচ্ছে।  কিন্তু আপনি চাইলে এমাজনের পন্য নিজের ওয়েবসাইটে প্রমোট করার মাধ্যমে বিক্রি করে তা থেকে একটা কমিশন লাভ করাই এফিলিয়েট মার্কেটিং। 

শুধু নিজের ওয়েবসাইটে না, এমাজান থেকে ওই প্রডাক্টের এফিলিয়েট লিংক নিয়ে ফেসবুক বা অন্য প্লাটফর্মেও প্রমোট করতে পারেন।  

ক্রেতারা কেনার আগে সাধারণত পণ্যটি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করে।  তখন সে গুগলে সার্চ করে রিভিউ পড়ে।  ওই পণ্যের বিষয়ে বিস্তারিত জেনে হয়তো সেখাএ দেয়া লিংকেই ক্লিক করে থাকে  

অদলবদল বা এক্সচেঞ্জ মার্কেটপ্লেস

এক্সচেঞ্জ  ডিরেক্টরিতে যেকোনো নতুন পুরাতন  পণ্য অদলবদল করা যায়।তার জন্য সাইটের ad বাটনে ক্লিক করে নিজের পণ্য বা সার্ভিসটি সিলেক্ট করে পোস্ট করতে হবে বদলে নিজের চাহিদাটি উল্লেখ করতে হবে।

এছাড়াও সার্ভিস ও কাজকর্ম লেনদেন করা যায় এমন একটি  মার্কেটপ্লেস রয়েছে বাংলাদেশে যা প্রথম । 

swap market
Ad

এধরনের মার্কেটপ্লেস বাংলাদেশে নতুন হলেও খুবই প্রয়োজনীয়। কারণ মানুষের হাতে সবসময় টাকা পয়সা থাকেনা পর্যাপ্ত । কোনো কাজের বিনিময়েও যদি একটি প্রোডাক্ট পাওয়া যায় তো মন্দ কি? বই পুস্তক থেকে শুরু করে ফ্রীল্যান্স দক্ষতা পর্যন্ত বিনিময় করা যায় টাকা ছাড়াই।         

অনলাইনে মার্কেটিংয়ের জন্য এরকম অসংখ্য পদ্ধতি রয়েছে, তবে এগুলোই প্রধান প্রধান।  বাকিসব এদেরই ডালপালা। 

So, আপনি কি ভাবছেন? আরও কিছু প্রশ্ন জেগেছে কি? মন্তব্য করুন।

1 thought on “ডিজিটাল মার্কেটিং’র কত প্রকার উপায়”

  1. Pingback: এসইও (SEO) কি? Step by Step Full SEO Tutorials in Bangla

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।